শনিবার, ০৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

© 2026 বাস্তব চিত্র। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সকল কারিগরি সহায়তায়: টেকবাড়ি ডটকম

বিজ্ঞাপন | পজিশন: header_bottom

আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!

বিজ্ঞাপন বুকিং →

সেদিন সারা রাত কেঁদেছিলেন বিজয়

অনলাইন ডেস্ক

প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৩ জুলাই, ২০২৬, ১২:৩০ পিএম
৩৪৭ পঠিত
সেদিন সারা রাত কেঁদেছিলেন বিজয়

সর্বশেষ খবরের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে

আমাদের অফিসিয়াল চ্যানেলে যুক্ত থাকুন

সাত মাস পিছিয়ে অবশেষে বৃহস্পতিবার বিশ্বব্যাপী মুক্তি পেয়েছে তামিল তারকা ও বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের বহুল প্রতীক্ষিত চলচ্চিত্র ‘জন নায়গন’। এটিই হতে যাচ্ছে অভিনেতা বিজয়ের শেষ সিনেমা। মুক্তির পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দর্শকদের ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। ছবি মুক্তির আলোচনার মধ্যেই তাঁর ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের একটি ঘটনা সামনে এসেছে। সম্প্রতি অভিনেতার এক কঠিন সময়ের কথা স্মরণ করেছেন তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু অভিনেতা সঞ্জীব। জানিয়েছেন, অভিষেক সিনেমা ‘নালাইয়া থিরপু’ মুক্তির পর সমালোচনার মুখে পড়ে সারা রাত কেঁদেছিলেন বিজয়।

‘নালাইয়া থিরপু’ সিনেমার পোস্টার

সম্প্রতি বিহাইন্ডউডসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সঞ্জীব জানান, ১৯৯২ সালে মুক্তি পাওয়া ‘নালাইয়া থিরপু’ সিনেমার কড়া সমালোচনা বিজয়কে ভীষণভাবে আঘাত করেছিল। সিনেমাটি পরিচালনা করেছিলেন বিজয়ের বাবা এস এ চন্দ্রশেখর। এতে বিজয়ের সঙ্গে অভিনয় করেছিলেন কীর্তনা, ঈশ্বরী রাও ও শ্রীবিদ্যা।

সঞ্জীব বলেন, ‘বিজয় কেঁদেছিল, অনেক কেঁদেছিল। সে আসলে সারা রাত কেঁদেছিল। কোনো নবাগত অভিনেতাই প্রথম সিনেমার পর এমন কড়া মন্তব্য শুনতে চায় না, বিশেষ করে যখন তা আসে একটি প্রভাবশালী ম্যাগাজিনের কাছ থেকে।’

বিজ্ঞাপন | পজিশন: article_middle

সংবাদের ভেতরে আপনার বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করতে চান?

সহজেই আকর্ষণীয় ইন-ফিড ব্যানার স্পটে আপনার ক্যাম্পেইন পরিচালনা করুন।

যোগাযোগ করুন →

অভিনেতা সঞ্জীব জানান, তখন বিজয়ের বয়স মাত্র ২০ বছর। চলচ্চিত্রজগতে নিজের জায়গা তৈরি করার চেষ্টা করছিলেন তিনি। সেই সময়ে নেতিবাচক মন্তব্য মেনে নেওয়া তাঁর জন্য কঠিন ছিল।

‘জন নায়গন’–এ থালাপতি বিজয়। এক্স থেকে

সঞ্জীব বলেন, ‘ওই বয়সে এমন পরিস্থিতিতে যে কেউ হতাশ হয়ে পড়বে। আজকের বিজয় হলে হয়তো আরও ভালোভাবে পরিস্থিতি সামলাতে পারত।’

তবে সময়ের সঙ্গে নিজের কাজ দিয়ে সমালোচকদের জবাব দিয়েছেন বিজয়। ধীরে ধীরে তিনি হয়ে উঠেছেন তামিল সিনেমার অন্যতম বড় তারকা।

বিজ্ঞাপন | পজিশন: article_middle

সংবাদের ভেতরে আপনার বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করতে চান?

সহজেই আকর্ষণীয় ইন-ফিড ব্যানার স্পটে আপনার ক্যাম্পেইন পরিচালনা করুন।

যোগাযোগ করুন →

সঞ্জীব বলেন, ‘পরে সেই একই ম্যাগাজিন বিজয়ের অনুমতি নিয়ে তাদের প্রচ্ছদের জন্য তাঁর ছবি প্রকাশ করতে চেয়েছিল। এটা কি বড় অর্জন নয়?’

এইচ বিনোথ পরিচালিত ছবিটি বিজয় অভিনীত শেষ চলচ্চিত্র। অনেক দর্শকের মতে, পর্দায় বিজয়ের উপস্থিতি আগের মতোই আকর্ষণীয়। পাশাপাশি অনিরুদ্ধ রবিচন্দরের ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক এবং আবেগময় দৃশ্যগুলোও প্রশংসা কুড়িয়েছে। তবে অনেকেই মনে করছেন, গল্পটি বেশ পরিচিত ধাঁচের এবং প্রায় তিন ঘণ্টার দৈর্ঘ্য ছবির গতি কমিয়ে দিয়েছে।


এনডিটিভি অবলম্বনে

সূত্র: প্রথম আলো